১২. সন্দেহ হল

।। ১২।

শ্যামলদার বাড়িতে বসে গল্প হচ্ছিল। শ্যামলদা একেনবাবুকে জিজ্ঞেস করলেন, “কখন আপনার সন্দেহ হল একেনবাবু যে, সাহানিরা এর মধ্যে জড়িত?”

“যখন স্যার আমি ব্রিফকেসটা দেখলাম, তখনই বুঝলাম, ওঁরাই, সম্ভবত অরুণ সাহানিই টাকাটা সরিয়েছেন। কিন্তু মিস্টার জসনানির অদৃশ্য হওয়া, আর তার প্রায় এক হপ্তা পরে ওঁর বডিটা হঠাৎ ওভাবে হাইওয়ের পাশে পেয়ে যাওয়াটা কুড নট বি এক্সপ্লেইনড়। বিশেষ করে মৃত্যুটা যখন পুরোপুরি স্বাভাবিক। সো আই ওয়াজ রিয়েলি পাজলড স্যার।”

“কখন আপনি বুঝলেন যে, এর মধ্যে কোথাও একটা খুন জড়িয়ে আছে?”

“যখন রেস্টুরেন্টে বসে ‘টু টেল দ্য টুথ’ শো-টা দেখছিলাম স্যার। আই ওয়াজ ওয়াচিং দ্য শো। বাট আই হ্যাড নো আইডিয়া স্যার, হু দ্য রাইট পার্সন ওয়াজ! আর ঠিক তখনই আমার চোখ খুলে গেল! আসলে ব্যপারটা খুব সিম্পল স্যার! আমরা ধরেই নিয়েছিলাম যে, শ্যাম মিরচন্দানির ডেথটা ন্যাচারাল। কারণ ডাক্তার সেটাই বলেছেন। হ্যাঁ ডাক্তার একজনকে স্বাভাবিক ভাবে মারা যেতে দেখতে পারেন। কিন্তু কী করে তিনি জানবেন, যে সেই লোকটাই হচ্ছে শ্যাম মিরচন্দানি? যখন এই প্রশ্নটা মাথায় এল, এভরিথিং কুড বি এক্সপ্লেইনড।”

“কিন্তু আপনি যে বললেন এরকম একটা কেসের কথা কোথাও পড়েছেন– একটা সিনেমাতেও বোধহয় দেখেছেন।”

“নিশ্চয়ই পড়েছি বা দেখেছি স্যার, কিন্তু ঠিক কোথায় সেটাই এখন মনে পড়ছে না। আসলে স্যার লক্ষ লক্ষ বই আর সিনেমারহস্য আর খুনের সবরকম সম্ভবনাই কোথাও না কোথাও কভার হয়ে আছে!”

বেন্টুমাসি ফ্লোরিডা থেকে আনা পান চিবোতে চিবোতে শ্যামলদাকে বললেন,

“এবার বোঝ, আমার তো কোনো কথাই কানে দিস না। তোকে বলিনি যে, ন্যাচারাল ডেথ-ফেথ নয়, ওটা হচ্ছে পুরো মার্ডার?”

বুকমার্ক করে রাখুন 0